খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

আদালতের নির্দেশে জাল দলিলের প্রতিবেদন দিয়ে আক্রোশের শিকার সাব-রেজিস্ট্রার

সোনামুড়ি, নোয়াখালী — সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ সাজে সোনামুড়ি উপজেলার আইনি ও সংবাদ গতিপথ জটিল হয়ে উঠেছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গত জুন মাসে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পেলে, সিরাজুল হক নিজেদেরকে ব্যক্তিগতভাবে লক্ষ্যবস্তু বলে অভিযোগ করেন। তাদের মुतাবিক, তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর প্রকাশিত সংবাদের ভাষা ও উপস্থাপনায় তাদের পেশাগত অবস্থান, সামাজিক মর্যাদা ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ঘটনায় পত্রিকা কর্তৃপক্ষের কাছে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন তিনি। সিরাজুল হক আরও বলেন, যদি সরকারি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনের কারণে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার শিকার হতে পড়ে, তাহলে তা উদ্বেগজনক।

另一方面, জমির নামজারি ও জাল দলিলের মাধ্যমে অন্যের জমি দখলের অভিযোগে ফসলে স্থানীয় সাংবাদিক মো. সেলিম মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সেলিম মিয়া দলিল জালের অভিযোগ অস্বীকার করে, সাব-রেজিস্ট্রারদের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরে, যথাযথ তদন্ত ছাড়াই একপেশেভাবে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।

সুনিয়া জানা গেছে, সোনামুড়ি সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সূত্রে, স্থানীয় সাংবাদিক মো. সেলিম মিয়া, তার বাবা, ভাই, চাচা ও চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভূয়া ও জাল দলিলের মাধ্যমে জমির নামজারি ও অন্যের জমি দখলের অভিযোগ ওঠে। এ সম্পর্কে বিতর্কে ২১১/২০০১ নম্বর দলিলটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের রেকর্ডে অসংগতি পাওয়া গিয়েছে। এই দাবির সমর্থনে জমির প্রকৃত মালিক মজিবুল হক আদালতে ১১৩/২০২৬ নম্বর মামলা করেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, তদন্ত শেষে ২০২৬ সালের জুন মাসে সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হক প্রতিবেদন দাখিল করেন।

তদন্তে দলিলের সত্যতা, নামজারি প্রক্রিয়া ও জমির দখলসংক্রান্ত বিষয়ে অসংগতি উঠে আসে। প্রতিবেদনে জাল দলিল ব্যবহার করে নামজারি ও অন্যের জমি দখলের অভিযোগের সত্যতা প্রতীয়মান হয় বলে উল্লেখ করা গিয়েছে। conséquence, আদালতের সিদ্ধান্তে মামলার সংশ্লিষ্ট আসামি গ্রীষ্মকালে প্রায় দুই মাস কারাভোগ করেন।

সেলিম মিয়া গত ৪ অক্টোবর তার কার্যালয়ে আসেয়। সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হক অভিযোগ করেন, মামলার আসামি গত দিনে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি বলেন, “আদালতের নির্দেশে দায়িত্ব পালন করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করায় আমাকে ব্যক্তিগতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবর ঘটনার সাথে অসংগতিপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।” সংবাদটির ভাষা ও উপস্থাপনায় তাদের পেশাগত অবস্থান, সামাজিক মর্যাদা ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এই ঘটনায় পত্রিকা কর্তৃপক্ষের কাছে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন তিনি।

অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিক সেলিম বলেন, তাদের দলিল জাল নয়। তারা দাবি করেন, সাব-রেজিস্ট্রার তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে কোনো ধরনের যথাযথ তদন্ত ছাড়াই একপেশেভাবে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।

সোনামুড়ি উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সোহরাব হোসেন বলেন, সাব-রেজিস্ট্রারকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জাল দলিলের অভিযোগে ওই সাংবাদিক ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য কারাভোগ করেন।

এ বিষয়ে সোনামুড়ি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জসিম উদ্দিন বলেন, জাল দলিল টেম্পারিং করে জমা খারিজের জন্য জমা দেওয়া হয়েছিল। আদালতে মামলা হলে সাব-রেজিস্ট্রারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। তদন্তে জাল দলিলের সত্যতা পাওয়ার পর তিনি প্রতিবেদন দেন। পরে ওই দলিলের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জেনেছেন।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT